Ahki alamgir xxx bd

” সপ্না চোখ পাকিয়ে আমার দিকে তাকায় বলল।আমি সাথে সাথে বললাম, “না ঠিক তা না, It’s just boring.

”আমি হেসে বললাম, “মাল ছাড়ার পর এটা একটু ছোট হয়ে যায়।”ও হাসতে হাসতে বলল, “খুবই মজার জিনিস তো। একটু আগেও আমি দেখলাম প্রায় ছয় ইঞ্চির একটা এত বড় একটা জিনিস। সেটা এখন মাত্র আড়াই ইঞ্চি হয়ে গেল?

” আমি চেয়ারে বসতে বসতে সপ্না কে বললাম। ও তখন কি একটা আনতে কিচেনে গিয়েছিল। এসে আমার পাশে দাঁড়িয়ে একটা দুষ্ট হাসি হেসে বলল, “কেন আমার হবু বর?

”–না,না, আমি এত গুলা খেতে পারবো না। আমি শুধু কাস্টার্ডটা আর নুডুলসটা খাবো।–ঠিক আছে,আগে শুরু কর না। বাকিটুকু পরে দেখা যাবে।খেতে খেতে জানলাম আংকেল বাসাতে আসবেন পনের দিন পর। এই কয়দিন ও বাসাতে একাই। আরও জানলাম আমাকে ওর সাথে প্রায় দুইদিন আর তিন রাত থাকতে হইতেছে।সন্ধ্যায় আমি সপ্নার রুমে খাটে শুয়ে শুয়ে টিভি দেখছিলাম। ও কিচেনে রাতের খাবার বানাচ্ছিল। ওর রুমটা অনেক সুন্দর করে সাজানো গুছানো। দেখেই বুঝা যায় একটা মেয়ের রুম। ডাবল বেডের বক্স খাট। খাটটা আবার অনেক নরম ছিল। শুইলে পুরা শরীর ঢুকে যায়। বিছানার সামনে একটা সিঙ্গেল কাউচ রাখা। সেটার পাশে আবার একটা হোম থিয়েটার। দেয়ালে রেক্টিংগুলার প্লাজমা টিভি। ২৭ ইঞ্চি হবে মনে হয়। তখনও এই গুলা আমাগো দেশে খুব প্রচলিত ছিল না। আংকেল মাঝে মাঝে বিদেশ গেলে নিয়ে আসতেন । ওর রুমের ডান দিকে মানে পূর্ব দিকে একটা বড় ব্যলকনি ছিল আর থাই গ্লাসের বিশাল জানালা। ওদের ফ্ল্যাটটার সবচেয়ে সুন্দর রুম মনে হয় সপ্নারটাই। রুমের ডিস্টেম্বারের সাথে ম্যাচ করে হালকা গোলাপি রঙের পর্দা লাগান হয়েছিল জানালাতে। পর্দা গুলা আবার খুব মোটা। বিছানার চাদরও হালকা গোলাপি কালারের ছিল। একটা এ.সি ও লাগানো হয়েছিল। যেটাকে ওর রুমে কিছুটা বেমানান লাগছিল । ব্যলকনি,জানালার পর এ.সি’র কোন দরকারই ছিল না। হয়ত ওটাও একটা বিলাসিতা ছিল।একটু পর ও এসে বলল, “বুজলা, বাসাতে বুয়া নাই। এজন্য সবকিছু নিজের হাতেই করতে হইতেছে। তোমারে সময় দিতে পারতেছি না।” আমি কিন্তু bore হইতেছিলাম না। তারপর বলল, “চা খাবা নাকি কফি?

”আমি ওকে কি উত্তর দিব বুজতেছিলাম। কারণ আমার মনে হচ্ছিল হাত দিয়েই বেশি মজা লাগবে। মুখ দিয়ে চুষলে মাল বের হতে চাইলেও ফেলতে পারবো না। এই কথা গুলা আমি ওকে বললাম। ও সাথে সাথে আমার দ্বিধা ভেঙে দিয়ে বলল, “কোন সমস্যা নাই। মাল বের হলে আমার মুখে ফেলে দিয়ো। মাইন্ড করবো না। তুমি শুধু একটু খাটে পা ঝুলিয়ে শোও।” আমি ওর কথা মত খাটের দৈর্ঘ্য বরাবর হাঁটু থেকে পা ঝুলিয়ে শুয়ে রইলাম। ও নিচে হাঁটু গেড়ে আমার বাড়া চুষছিল। সত্যি বলছি আমার তখন মনে হচ্ছিল দুনিয়াতে আমার আর কিছুই দরকার নাই। যা পাবার তা আমি পেয়ে গেছি। অ-নে-ক মজা পাচ্ছিলাম। ও প্রায় পনেরো মিনিট ধরে ছোট্ট রিশাতকে নিয়ে খেলছিল। আমার মালও প্রায় বের হয়ে এসেছিল। কিছুক্ষণ পর টের পেলাম আমার বাড়া প্রায় ফেটে যাচ্ছে। আর ওদিকে ও চুষেই যাচ্ছিলো। মাল না ফেলা ছাড়া কোন উপায় ছিল না। যদিও ও অভয় দিয়েছিল কিন্তু আমার কাছে সংকোচ লাগছিল ওর মুখে মাল ফেলতে। একটু পর অবশ্য এসব চিন্তার অবকাশও পেলাম না। মাল বের হয়ে গেল। ও মাল পড়ার পরও কিছুক্ষণ চুষলো। সব মাল বের হয়ে যাবার পর ও ওয়াশরুমে গিয়ে কুলি করে আসলো। আমার খুব ক্লান্ত লাগছিল। বিয়ের আগে মাল ফেললে আমার মাঝে কেমন যেন একটা ক্লান্তি আর অপরাধবোধ কাজ করত। এটার কারণ আমি জানি না। তবুও লাগত। কিন্তু সেইবার আমার অপরাধবোধটা ছিল না।ও এসে বলল, “তুমি আজকে অনেক Excited ছিলা,না?

–হুম। তোমাকে অন্য এঙ্গেল থেকে আজকে দেখলাম তো,তাই।আমার পাশে শুতে শুতে ও একটু হেসে বলল, “কোন এঙ্গেল থেকে?

Leave a Reply